সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বেড়েছে। ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখার দেয়া তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৮ টন। যার মূল্য ৬৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় এ বন্দর দিয়ে ৪৩ কোটি ৯ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ১৬ টন জিরা আমদানি হয়েছিল। এ হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বেড়েছে ৫০২ টন।
ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মসলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, তার প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি জিরা আমদানি বেড়েছে। জিরাসহ অন্যান্য মসলা ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।
অন্যদিকে আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার মসলা বাজারে ভারতীয় জিরার দাম কমেনি। এক মাসের ব্যবধানে খুচরা বাজারে পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে এ সময় সিরিয়া ও তুরস্কের জিরার দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে ভারত থেকে আমদানীকৃত জিরা খুচরায় বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৬৪০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ৫৮০ টাকা। এছাড়া গতকাল সিরিয়া ও তুরস্ক থেকে আমদানীকৃত জিরা বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগে ছিল ৭৫০ টাকা।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আব্দুল হাকিম বলেন, ‘সম্প্রতি পাইকারিতে ভারতীয় জিরার দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে আমদানীকৃত সিরিয়া ও তুরস্কের জিরার দাম কেজিতে ৪০-৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।’
সাতক্ষীরা জেলার দায়িতপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও জিরার দাম কেন বেড়েছে সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’